সংকলনেঃ আব্দুল্লাহ শাহেদ আল-মাদানী
লিসান্সঃ মদীনা ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, এম,এম, ফাস্ট ক্লাশ
ভূমিকা
সূফীবাদের পরিভাষায় সূফী কাকে বলে?
সূফীবাদের বিভিন্ন তরীকার বিবরণ
সূফীবাদের স্তর পরিক্রমাঃ
প্রচলিত সূফীবাদের কতিপয় বিভ্রান্তিঃ
১) الحلول হুলুল এবং وحدة الوجود ওয়াহদাতুল উজুদঃ
উপরোক্ত ভ্রান্ত বিশ্বাসের খন্ডনঃ
আল্লাহ তাআলা আকাশের উপরে সমুন্নত হওয়ার দলীলসমূহঃ
আল্লাহ্ আসমানে সমুন্নত হওয়ার ব্যাপারে বর্ণিত সহীহ হাদীছসমূহঃ
আরশের উপর সমুন্নত হওয়ার দলীলসমূহঃ
২) অলী-আওলীয়াদের আহবানঃ
৩) গাউছ, কুতুব, আবদাল ও নুজাবায় বিশ্বাসঃ
৪) সূফী তরীকার মাশায়েখগণ বিপদ হতে উদ্ধার করতে পারেন!
৫) এবাদতের সময় সূফীদের অন্তরের অবস্থাঃ
৬) নবী-রাসূলদের সম্পর্কে সূফীদের ধারণাঃ
৭) অলী-আওলীয়াদের ব্যাপারে তাদের বিশ্বাসঃ
৮) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের ব্যাপারে বাড়াবাড়িঃ
৯) ফেরাউন ও ইবলীসের ক্ষেত্রে সূফীদের বিশ্বাসঃ
১০) কবর ও মাজার সম্পর্কে সূফীদের আকীদাঃ
১১) মৃত অলী- আওলীয়ার নামে মান্নত পেশ করাঃ
১২) অলী-আওলীয়ার উসীলাঃ
১৩) ইসলামের রুকনগুলো পালনের ক্ষেত্রে সূফীদের দৃষ্টিভঙ্গিঃ
১৪) সূফীদের যিকির ও অযীফাঃ
১৫) চুলে ও দাড়িতে ঝট বাঁধাঃ
১৬) অলী-আওলীয়ার নামে শপথঃ
১৭) হালাল-হারামঃ
১৮) জিন-ইনসান সৃষ্টির উদ্দেশ্যঃ
১৯) সূফীরা জান্নাতের আশা ও জাহান্নামের ভয় করে নাঃ
২০) গান-বাজনাঃ
২১) সূফীদের যাহেরী ও বাতেনীঃ
২২) শায়েখ বা পীরের আনুগত্যঃ
২৩) পীরের আত্মার সাথে মুরীদের আত্মার সম্পর্ক তৈরী করাঃ
২৪) ইলমে লাদুন্নী নামে কল্পিত এক বিশ্বাসঃ
২৫) কারামাতে আওলীয়ার ক্ষেত্রে সূফীদের বাড়াবাড়িঃ
ক) মৃতকে জীবিত করাঃ
খ) সূফীদের অলীগণ মানুষকে পশু বানিয়ে ফেলতে পারেনঃ
শরীয়ত ও অন্যান্য বিষয়ে জ্ঞান অর্জনের ক্ষেত্রে সূফীবাদের মূলনীতিঃ
১) কাশ্ফঃ
কাশফের একটি উদাহরণঃ
২) নবী ও মৃত অলী-আওলীয়াগণঃ
৩) খিযির আলাইহিস সালামঃ
৪) ইলহামঃ
৫) ফিরাসাতঃ
৬) হাওয়াতেফঃ
৭) সূফীদের মিরাজঃ
৮) স্বপ্নের মাধ্যমে প্রত্যাদেশ প্রাপ্তিঃ
৯) মৃত অলীদেদের সাথে সূফীদের যোগাযোগঃ
১০) শয়তানঃ
উপসংহারঃ
ইসলামের প্রথম যুগে মুসলমানগণ নিঃশর্তভাবে কুরআন ও সুন্নাহর অনুসরণ করে চলতেন। তারা নির্দিষ্ট কোন মাজহাব, তরীকা বা মতবাদের দিকে নিজেদেরকে নিসবত (সম্পৃক্ত) করতেন না। সকলেই মুসলিম বা মুমিন হিসেবে পরিচয় দিতেন। তবে বদরের যুদ্ধ যেহেতু ইসলামের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ যুদ্ধ ছিল এবং তাতে অংশগ্রহণ করা বিশেষ একটি ফজীলতের কাজ ছিল, তাই যারা বদরের যুদ্ধে শরীক হয়েছেন তাদেরকে বদরী সাহাবী, যারা বাইআতে রিযওয়ানে অংশগ্রহণ করেছিলেন তাদেরকে আসহাবে বাইআত এবং দ্বীনি ইলম শিক্ষায় সর্বক্ষণ আত্মনিয়োগকারী সুফফাবাসী কতিপয় গরীব সাহাবীকে আসহাবে সুফফা বলা হত। কিন্তু পরবর্তীর্তে মুসলমানগণ রাজনৈতিক, ধর্মীয় ও অন্যান্য কারণে বিভিন্ন দলে ও উপদলে বিভক্ত হয়ে যায়। মুসলমানদের মাঝে আত্মপ্রকাশ করে শিয়া, খারেজী, মুতাজেলা, কদরীয়া, আশায়েরা, জাহমেয়ী এবং আরও অসংখ্য বাতিল ফির্কা ও মতবাদ। এরই ধারাবাহিকতায় সুফীবাদও একটি ধর্মীয় মতবাদ হিসেবে মুসলমানদের মধ্যে অনুপ্রবেশ করে।