Drop Down MenusCSS Drop Down MenuPure CSS Dropdown Menu

See Our Articles In Different Styles... Grid View List View

সূফীবাদ লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
সূফীবাদ লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

শনিবার, ১৯ অক্টোবর, ২০২৪

নবী ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নূরের তৈরী, না মাটির তৈরী?

Views:

A+ A-

 নবী ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নূরের তৈরী, না মাটির তৈরী?



আমাদের মনে রাখতে হবে, সৃষ্টির উপাদানের উপর ভিত্তি করে কোন ব্যক্তির মর্যাদা নির্ণয় করা সরাসরি কুরআন ও হাদীছ বিরোধী কথা। কারণ মহান আল্লাহ বলেই দিয়েছেনঃ. 
‘নিশ্চয় আল্লাহর নিকট তোমাদের মধ্যে ঐব্যক্তি বেশি সম্মানিত যে তোমাদের মধ্যে সর্বধিক তাক্বওয়াশীল’ পরহেযগার”। (সূরা হুজুরাত: ১৩)

নবী (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেনঃ 
হে মানব মণ্ডলি! নিশ্চয় তোমাদের প্রতিপালক এক, সাবধান! কোন আরবীর আজমীর (অনারব) উপর, কোন আজমীর আরবীর উপর প্রাধান্য নেই। অনুরূপভাবে কোন লাল বর্ণের ব্যক্তির কালো ব্যক্তির উপর, কোন কালো ব্যক্তির লাল বর্ণের ব্যক্তির উপর প্রাধান্য নেই। প্রাধান্য একমাত্র তাকওয়া পরহেযগারিতার ভিত্তিতে হবে। ‘নিশ্চয় আল্লাহর নিকট তোমাদের মধ্যে ঐ ব্যক্তি বেশি সম্মানিত যে তোমাদের মধ্যে সর্বধিক তাক্বওয়াশীল’-পরহেযগার (আহমাদ প্রভৃতি, হাদীছ ছহীহ। দ্রঃ শাইখ আলবানীর গায়াতুল মারাম, পৃঃ১৯০, হা/৩১৩)।

Read More---

বৃহস্পতিবার, ১৭ অক্টোবর, ২০২৪

অলী আওলিয়াদের অসীলা গ্রহণ : ইসলামি দৃষ্টিকোণ

Views:

A+ A-

 অলী আওলিয়াদের অসীলা গ্রহণ : ইসলামি দৃষ্টিকোণ


بسم الله الرحمن الرحيم
الحمد لله والصلاة والسلام على من لا نبي بعده
সকল প্রশংসা মহান রাব্বুল আলামীন আল্লাহর জন্য। সালাত ও সালাম নিবেদন করছি আমাদের সর্বশেষ নবী মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ও তার সকল সাহাবীগণের প্রতি।
বর্তমান সময়ে আমরা দেখতে পাচ্ছি ইসলাম সম্পর্কে যথাযথ জ্ঞান না থাকার কারণে বা ইসলাম সম্পর্কে উদাসীনতার কারণে ইসলাম ধর্মের নামে অনেক অনাচার, কুসংস্কৃতি, শিরক ও বিদআত প্রচলিত আছে ও প্রচলন ঘটছে। এর মধ্যে একটি হল, অলী আওলিয়াদের অসীলা দিয়ে দুআ-প্রার্থনা করা, তাদের কাছে সাহায্য চাওয়া, তারা ভাল-মন্দ কিছু করতে পারে বলে বিশ্বাস রাখা, তাদের সন্তুষ্টি অর্জনের মাধ্যমে আল্লাহর রহমত লাভ করা যাবে বলে বিশ্বাস করা। এ উদ্দেশ্যে তাদের কবর যিয়ারত করা, তাদের কবর তওয়াফ করা, কবরে উরস উৎসব আয়োজন করা ইত্যাদি। অনেক মুসলিম এ সকল কাজ এ ধারনার ভিত্তিতেই করে যে, এই কবরে শায়িত অলী আওলিয়ারা আমাদের প্রতি সন্তুষ্ট হলে আল্লাহর রহমত লাভ করা যাবে। অথবা তাদেরকে অসীলা বা মাধ্যম হিসাবে গ্রহণ করলে আল্লাহ আমাদের উপর সন্তুষ্ট হবেন। তাদেরকে অসীলা হিসাবে গ্রহণ করতে যেয়ে তারা তার মাধ্যমে বা তার নামে বিপদ থেকে মুক্তি কামনা করে আল্লাহর কাছে। অনেকে সরাসরি তাদের কাছেই নিজেদের প্রয়োজন ও অভাব পুরণের জন্য প্রার্থনা করে। বিপদ থেকে উদ্ধার কামনা করে। তারা মনে করে এ ধরণের অসীলা গ্রহণ করতে ইসলামে নিষেধ নয়। বরং এদের অনেকে মনে করে এ ধরনের অসীলা গ্রহণ ইসলামে একটি ভাল কাজ।


Read More---

বৃহস্পতিবার, ১৯ অক্টোবর, ২০২৩

কোরআন-হাদীসের আলোকে শাফাআত

Views:

A+ A-

 কোরআন-হাদীসের আলোকে শাফাআত



বিষয় সূচী

* ভূমিকা                                                   
* শাফাআতের অর্থ                                        
* শাফাআতের প্রকারভেদ                                 
* শরীয়ত সম্মত শাফাআতের প্রকারভেদ               
* শাফাআতের মালিক কে?                               
* শাফাআতের পার্থক্য                                     
* শাফাআত কখন অনুষ্ঠিত হবে?                         
* শাফাআত কারা করবেন?                               
* শাফাআতের শর্ত                                         
* কারা শাফাআত থেকে বঞ্চিত হবে?                    
* শাফাআত ব্যতীত কেউ কি জান্নাতে প্রবেশ করবে?    
* কার নিকট শাফাআতের দুআ -করব?                 
* শাফাআতের দুআ কীভাবে করব?                      
* গাইরুল্লাহর নিকট শাফাআতের দুআ করার হুকুম    
* শাফাআত সম্পর্কে মুফসসিরগণের অভিমত           
* শাফাআত সম্পর্কে আকাঈদ শাস্ত্রবিদদের মতামত     
* একটি বিশেষ আবেদন      
    


ভূমিকা
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম
সকল প্রশংসা আল্লাহর । সালাত-সালাম বর্ষিত হোক রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর উপর। এবং তাঁর পরিবার-পরিজন, সাহাবী ও অনুসারীদের উপর।
কোরআন-সুন্নাহ ও ইজমায়ে উম্মত দ্বারা একথা প্রমাণিত যে, আল্লাহ তাআলাই হচ্ছেন দুনিয়া ও আখিরাতের সর্বময় কর্তৃত্ব, রাজত্বের অধিকারী । সব কিছুর মালিকানা তাঁরই।
আল্লাহ তাআলা বলেনঃ 
বস্তুতঃ ইহকাল ও পরকাল আল্লাহরই। ( সূরা নাজম : ২৫)
জেনে রাখো, সৃষ্টি ও কর্তৃত্ব তাঁরই। ( সূরা আরাফ : ৫৪)   
আকাশ ও জমীনে যা কিছু আছে সবই আল্লাহর। ( সূরা বাকারা : ২৮৪)
বলো হে নবী, যাবতীয় বিষয় আল্লাহরই এখতিয়ারে। ( সূরা আলে ইমরান : ১৫৪)
আল্লাহ তাআলা কিয়ামতের দিন বলবেন,
(আজ রাজত্ব কার ? সে তো একক প্রবল-পরাক্রান্ত আল্লাহর । ( সূরা মুমিন : ১৬
তিনি আরো বলবেন, 
আজ তোমাদের কেউ কারো ক্ষতি বা উপকার করার ক্ষমতা রাখবে না। ( সূরা সাবা : ৪২)
Read More---

বুধবার, ১৮ অক্টোবর, ২০২৩

সূফি তরিকা এবং তাদের সাথে অংশগ্রহণ - শাইখ সালিহ আল মুনাজ্জিদ

Views:

A+ A-

 সূফি তরিকা এবং তাদের সাথে অংশগ্রহণ - শাইখ সালিহ আল মুনাজ্জিদ



সূফি তরিকা এবং তাদের সাথে অংশগ্রহণ - শাইখ সালিহ আল মুনাজ্জিদ

সূফি তরিকাসমূহ যেমনঃ সায়ারি’য়া, তারিকা, হাকিকা এবং মা’রিফা; এই তরিকাগুলো কি সত্যিই রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাঁর সাহাবাগণ(রাদিয়াল্লাহু আনহুম) দের শিক্ষা দিয়েছেন?

প্রশংসা আল্লাহর জন্যে,

আমরা অবশ্যই জেনে নিব যে, আল-সুফিয়াহ (সূফিবাদ) শব্দটি দ্বারা ওলের তৈরি পোশাক পরিধান করাকে (আরবি শব্দ ‘সুফ’ মানে ‘উল’) বুঝায় এবং এছাড়া কিছু নয়।
Read More---

মঙ্গলবার, ১৭ অক্টোবর, ২০২৩

নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কি নূরের তৈরি?

Views:

A+ A-

 নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কি নূরের তৈরি?



নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কি নূরের তৈরি?

ভূমিকা
আল্লাহ তাআলার যাবতীয় প্রশংসা এবং নবী  মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের প্রতি অসংখ্য দরূদ এবং সালাম বর্ষিত হোউক!
সউদী  আরবে আল খাফজী শহরে ইসলামিক গাইডেন্স সেন্টারে সাপ্তাহিক আলোচনা অনুষ্ঠানে বিভিন্ন রকমের প্রশ্নের সম্মুখিন হতাম। তম্মধ্যে একটি অন্যতম প্রশ্ন প্রায় প্রায় করা হত।
প্রশ্নটি হলঃ ‘নবী (সা:) নূরের তৈরী না মাটির তৈরী?’ আদম সন্তান তো মাটিরই হয় কিন্তু লোক কেন এ প্রশ্ন করছিল?

অধিক জানার আগ্রহ মনকে নাড়া দেয়। বিষয়টি নিয়ে গবেষনা করতে গিয়ে যখনই অভ্যন্তরে পৌঁছালাম তখন এর গুড় রহস্য প্রষ্ফুটিত হতে লাগল। দেখা গেল সুফীবাদ বা পীরবাদের এটি একটি আক্বীদাহ, যা তারা জনসাধারণের মধ্যে প্রচার করে থাকে। অভ্যন্তরে আছে এমন কিছু তথ্য যা মানুষকে পীর-ফকীর মাযার-দরগাহ তথা দৈনন্দীন ঘটিত শির্কী কার্যকলাপের দিকে আহবান করে। এই  বিশ্বাসের রেশ ধরে নবী (সা:) কে কবরে জীবিত এবং তাঁর সাথে সাথে কথিত মৃত ওলীদেরকেও জীবিত প্রমাণ করার অপচেষ্টা করা হয়েছে।  এতটুকু প্রমাণ করতে পারলেই  তাদের  আসল উদ্দেশ্য হাসিল হয়।  ফলে কবরের কাছে ওলী  বা পীরের নিকট দুআ-প্রার্থনা করা,  তাদের সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে নযরানা-উপঢৌকন পেশ করে তাদের অসীলা তথা মাধ্যম ধরা, সব জায়েয হয়ে যায়।  এই ধারনায় রয়েছে নবী  (সা:) এর ব্যাপারে বাড়াবাড়ি । খৃষ্টান ও ঈহুদীরা তাদের  নবীগণের ব্যাপারে অতিরঞ্জন করতে গিয়ে তাঁদেরকে আল্লাহর পুত্র হিসেবে আখ্যা দেয়, ফলে  তারা মুশরিক হয়ে যায়। আল্লাহ ও তার রাসূল এ বিষয়ে উম্মতকে সতর্ক  করে দেন। কিন্তু তার পরও যদি নবী (সা:) কে কেউ বলে যে তিনি (নূরূন মিন্ নূরিল্লাহ) আল্লাহর নূরের তৈরী, তাহলে ইহুদী  খৃষ্টানদের বিশ্বাস এবং এই বিশ্বাসের মধ্যে কি আসলে কোন পার্থক্য থাকল? কারণ কেউ বলল আল্লাহর পুত্র আর কেউ বলল  আল্লাহর সত্তারই একটি অংশ।
Read More---

সোমবার, ১৬ অক্টোবর, ২০২৩

কুরআন ও সহীহ হাদীসের মানদণ্ডে সূফীবাদ

Views:

A+ A-

 কুরআন ও সহীহ হাদীসের মানদণ্ডে সূফীবাদ


সংকলনেঃ আব্দুল্লাহ শাহেদ আল-মাদানী
লিসান্সঃ মদীনা ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, এম,এম, ফাস্ট ক্লাশ 

সূচীপত্র  (الفهارس)

ভূমিকা
সূফীবাদের পরিভাষায় সূফী কাকে বলে?
সূফীবাদের বিভিন্ন তরীকার বিবরণ
সূফীবাদের স্তর পরিক্রমাঃ
প্রচলিত সূফীবাদের কতিপয় বিভ্রান্তিঃ 
১) الحلول হুলুল এবং وحدة الوجود ওয়াহদাতুল উজুদঃ 
উপরোক্ত ভ্রান্ত বিশ্বাসের খন্ডনঃ 
আল্লাহ তাআলা আকাশের উপরে সমুন্নত হওয়ার দলীলসমূহঃ
আল্লাহ্‌ আসমানে সমুন্নত হওয়ার ব্যাপারে বর্ণিত সহীহ হাদীছসমূহঃ 
আরশের উপর সমুন্নত হওয়ার দলীলসমূহঃ
২) অলী-আওলীয়াদের আহবানঃ 
৩) গাউছ, কুতুব, আবদাল ও নুজাবায় বিশ্বাসঃ 
৪) সূফী তরীকার মাশায়েখগণ বিপদ হতে উদ্ধার করতে পারেন!
৫) এবাদতের সময় সূফীদের অন্তরের অবস্থাঃ
৬) নবী-রাসূলদের সম্পর্কে সূফীদের ধারণাঃ 
৭) অলী-আওলীয়াদের ব্যাপারে তাদের বিশ্বাসঃ 
৮) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের ব্যাপারে বাড়াবাড়িঃ
৯) ফেরাউন ও ইবলীসের ক্ষেত্রে সূফীদের বিশ্বাসঃ
১০) কবর ও মাজার সম্পর্কে সূফীদের আকীদাঃ
১১) মৃত অলী- আওলীয়ার নামে মান্নত পেশ করাঃ
১২) অলী-আওলীয়ার উসীলাঃ
১৩) ইসলামের রুকনগুলো পালনের ক্ষেত্রে সূফীদের দৃষ্টিভঙ্গিঃ
১৪) সূফীদের যিকির ও অযীফাঃ
১৫) চুলে ও দাড়িতে ঝট বাঁধাঃ
১৬) অলী-আওলীয়ার নামে শপথঃ
১৭) হালাল-হারামঃ
১৮) জিন-ইনসান সৃষ্টির উদ্দেশ্যঃ
১৯) সূফীরা জান্নাতের আশা ও জাহান্নামের ভয় করে নাঃ
২০) গান-বাজনাঃ
২১) সূফীদের যাহেরী ও বাতেনীঃ
২২) শায়েখ বা পীরের আনুগত্যঃ
২৩) পীরের আত্মার সাথে মুরীদের আত্মার সম্পর্ক তৈরী করাঃ
২৪) ইলমে লাদুন্নী নামে কল্পিত এক বিশ্বাসঃ
২৫) কারামাতে আওলীয়ার ক্ষেত্রে সূফীদের বাড়াবাড়িঃ
ক) মৃতকে জীবিত করাঃ
খ) সূফীদের অলীগণ মানুষকে পশু বানিয়ে ফেলতে পারেনঃ
শরীয়ত ও অন্যান্য বিষয়ে জ্ঞান অর্জনের ক্ষেত্রে সূফীবাদের মূলনীতিঃ
১) কাশ্‌ফঃ
কাশফের একটি উদাহরণঃ
২) নবী ও মৃত অলী-আওলীয়াগণঃ
৩) খিযির আলাইহিস সালামঃ 
৪) ইলহামঃ 
৫) ফিরাসাতঃ 
৬) হাওয়াতেফঃ 
৭) সূফীদের মিরাজঃ
৮) স্বপ্নের মাধ্যমে প্রত্যাদেশ প্রাপ্তিঃ
৯) মৃত অলীদেদের সাথে সূফীদের যোগাযোগঃ 
১০) শয়তানঃ 
 উপসংহারঃ

ভুমিকা
ইসলামের প্রথম যুগে মুসলমানগণ নিঃশর্তভাবে কুরআন ও সুন্নাহর অনুসরণ করে চলতেন। তারা নির্দিষ্ট কোন মাজহাব, তরীকা বা মতবাদের দিকে নিজেদেরকে নিসবত (সম্পৃক্ত) করতেন না। সকলেই মুসলিম বা মুমিন হিসেবে পরিচয় দিতেন। তবে বদরের যুদ্ধ যেহেতু ইসলামের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ যুদ্ধ ছিল এবং তাতে অংশগ্রহণ করা বিশেষ একটি ফজীলতের কাজ ছিল, তাই যারা বদরের যুদ্ধে শরীক হয়েছেন তাদেরকে বদরী সাহাবী, যারা বাইআতে রিযওয়ানে অংশগ্রহণ করেছিলেন তাদেরকে আসহাবে বাইআত এবং দ্বীনি ইলম শিক্ষায় সর্বক্ষণ আত্মনিয়োগকারী সুফফাবাসী কতিপয় গরীব সাহাবীকে আসহাবে সুফফা বলা হত। কিন্তু পরবর্তীর্তে মুসলমানগণ রাজনৈতিক, ধর্মীয় ও অন্যান্য কারণে বিভিন্ন দলে ও উপদলে বিভক্ত হয়ে যায়। মুসলমানদের মাঝে আত্মপ্রকাশ করে শিয়া, খারেজী, মুতাজেলা, কদরীয়া, আশায়েরা, জাহমেয়ী এবং আরও অসংখ্য বাতিল ফির্কা ও মতবাদ। এরই ধারাবাহিকতায় সুফীবাদও একটি ধর্মীয় মতবাদ হিসেবে মুসলমানদের মধ্যে অনুপ্রবেশ করে। 
Read More---

মাযারে প্রচলিত বিদআতসমূহ

Views:

A+ A-

 মাযারে প্রচলিত বিদআতসমূহ



মাযারে প্রচলিত বিদআতসমূহ

স্মরণ রেখ, শর্তহীনভাবে, নির্দিষ্ট দিন-মাস ও সময় ব্যতীত দলবদ্ধ না হয়ে কবর যিয়ারত করা পুরুষের জন্য সুন্নত। কারণ, এর মাধ্যমে তার অন্তরে মৃত্যুর স্মরণ সদা জাগ্রত থাকবে। মগ্ন হবে সে পরকাল চিন্তায়। পার্থিবের ব্যাপারে সৃষ্টি হবে নিরাসক্তি ও নৈরাশ্য। এ উদ্দেশ্য ব্যতীত ভিন্ন কোন কারণে কবর জেয়ারতে গমন অবৈধ সর্বৈবে। 
কবর জেয়ারতের উদ্দেশ্যে দূর-দূরান্ত হতে ভ্রমণ করা, কিংবা কবর জেয়ারতের জন্য দিন-মাস ও সময় নির্ধারণ করা, কবরকে কেন্দ্র করে উৎসব ও ওরস যাপন, তাতে আলোকসজ্জা, কেবল কবরকে উদ্দেশ্য করে কবরস্থানে মসজিদ নির্মাণ, নারীদের কবর জেয়ারতে গমন, (এ নিষেধাজ্ঞা কেবল এমন নারীর জন্য, যে তথায় গমন করে শরিয়ত বিরোধী কাজে অংশ নেয় ; যার উদ্দেশ্য কবর জেয়ারতের মাধ্যমে মৃত্যুর স্মরণ করা, পরকালের চিন্তা মনে জাগ্রত রাখা, তার জন্য অবৈধ নয়) কবরের উপর চাদর টানান, পাকা করা, কবরস্থান বা কবরের শিয়রে মৃতের মৃত্যু তারিখ, তাদের নাম, কোরআনের আয়াত- ইত্যাদি অঙ্কন করা, কবরের উপর ...নির্মাণ, এক ...চেয়ে উঁচু কবর বানান, পুণ্যের কাজ মনে করে কবরের পাশে সালাত আদায়, কবরের পাশেই আবাস স্থাপন, মসজিদের সাথে যে আচরণ ও সম্মান প্রদর্শন কাম্য, তা কবরের সাথে করা, -এ উদ্দেশ্য করে কবরকে কেন্দ্র করে আনন্দ উদযাপন করা যে, এর মাধ্যমে কবর-বাসীর চিত্ত বিনোদন হবে, এবং সে প্রাপ্ত হবে অশেষ সওয়াব- এসব কিছুই মাকরূহ, হারাম ও চূড়ান্ত বেদআত। 
Read More---