Drop Down MenusCSS Drop Down MenuPure CSS Dropdown Menu

See Our Articles In Different Styles... Grid View List View

জ্বিন লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
জ্বিন লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

শুক্রবার, ১৩ অক্টোবর, ২০২৩

যাদুটোনা থেকে নিরাময়ের উপায়

Views:

A+ A-

যাদুটোনা থেকে নিরাময়ের উপায় 


যাদুটোনা থেকে নিরাময়ের উপায়

প্রশ্ন: যিনি বিদ্বেষন, বশীকরণ বা অন্য কোন যাদুটোনা দ্বারা আক্রান্ত তার চিকিৎসার উপায় কি? মুমিন ব্যক্তি যাদুটোনা থেকে কিভাবে মুক্তি পেতে পারেন অথবা কোন পদ্ধতি অবলম্বন করলে যাদুটোনা তার কোন ক্ষতি করতে পারবে না। কুরআন ও হাদিসে এ সম্পর্কিত কোন দুআ-দরুদ বা যিকির-আযকার আছে কি?

উত্তর:

সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য। যাদুটোনায় আক্রান্ত ব্যক্তির চিকিৎসার বিভিন্ন পদ্ধতি রয়েছে: 
Read More---

মঙ্গলবার, ১০ অক্টোবর, ২০২৩

মানুষের উপর জিনের আছর : কারণ, প্রতিকার ও সুরক্ষার উপায়

Views:

A+ A-

 মানুষের উপর জিনের আছর : কারণ, প্রতিকার ও সুরক্ষার উপায়




মানুষের উপর জিনের আছর : কারণ, প্রতিকার ও সুরক্ষার উপায়

প্রথম কথা
একজন অভিজ্ঞ ডাক্তারের কাছে বসা ছিলাম। তার স্ত্রীও একজন ভাল ডাক্তার। উভয়ে ধর্মপ্রাণ। হজ করেছেন এক সাথেই। দুটো মেয়েকেই তানজীমুল উম্মাহ মাদরাসাতে ভর্তি করিয়েছেন। আমাকে বললেন, তানজীমুল উম্মাহ মাদরাসা আরবী মিডিয়ামের স্কলাস্টিকা তাই না? আমি বললাম, হ্যা। উদ্দেশ্য তার উৎসাহকে স্বাগত জানানো
মানে তারা দুটো সন্তানকেই মাদরাসায় ভর্তি করিয়ে গর্ববোধ করেন। কতখানি ধর্মপ্রাণ হলে এমন হতে পারে তা আপনার ভেবে দেখার বিষয় বটে
রোগী দেখার ফাঁকে ফাঁকে আমার সাথে গল্প করছেন। শুধু আমার সাথেই নয়। আলেম-উলামাদের কাউকে কাছে পেলে আন্তরিকতার সাথেই আলাপ করেন। জানতে চান। জানাতে চান
একজন মহিলা আসল, সাথে তার মেয়ে। সে রোগের বিবরণ দিয়ে বলল, কয়েকদিন আগে ওকে জিনে আছর করেছিল। ওঝা-ফকিরেরা জিন তাড়িয়েছে
এ কথা শুনে ডাক্তার সাহেব রেগে গেলেন। বললেন, কিসের জিন? জিন বলতে কিছু আছে নাকি? জিন আবার মানুষকে ধরে নাকিযত সব অন্ধ বিশ্বাস! জিন-ভূত বলতে কোন কিছু নেই। জিনে মানুষ ধরে না। মানুষকে আছর করে না। এটা মানসিক রোগ দ্বারা সৃষ্ট একটি কল্পনা। এ কল্পনার কারণে সৃষ্টি হয়েছে একটি অস্বাভাবিক অবস্থা
তার আবেগ কমে গেলে আমি তাকে এ বিষয়টি বুঝাতে চেষ্টা করলাম। কিন্তু এতে তার কোন আগ্রহ দেখলাম না। আমি বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করতে চাইলেই সে অন্য প্রসঙ্গের অবতারণা করে। আমি বুঝলাম, এ বিষয়ে আলোচনা তার পছন্দ নয়। সে যা বুঝেছে, সেটাকেই সে চুরান্ত বলে বিশ্বাস করে নিয়েছে। বিশ্বাসটা যে সংশোধন করার প্রয়োজন এটা তিনি বুঝতে চাচ্ছেন না
Read More---

রবিবার, ১ অক্টোবর, ২০২৩

বদ নজর লাগা ও বদ নজরের কুপ্রভাব

Views:

A+ A-

 বদ নজর লাগা ও বদ নজরের কুপ্রভাব




বদ নজর লাগা ও বদ নজরের কুপ্রভাব

• কুরআন থেকে (বদ নজরের) দলীলঃ

আল্লাহ তায়ালা এরশাদ করেনঃ
وَقَالَ يَا بَنِيَّ لَا تَدْخُلُوا مِنْ بَابٍ وَاحِدٍ وَادْخُلُوا مِنْ أَبْوَابٍ مُتَفَرِّقَةٍ وَمَا أُغْنِي عَنْكُمْ مِنَ اللَّهِ مِنْ شَيْءٍ إِنِ الْحُكْمُ إِلَّا لِلَّهِ عَلَيْهِ تَوَكَّلْتُ وَعَلَيْهِ فَلْيَتَوَكَّلِ الْمُتَوَكِّلُونَ، وَلَمَّا دَخَلُوا مِنْ حَيْثُ أَمَرَهُمْ أَبُوهُمْ مَا كَانَ يُغْنِي عَنْهُمْ مِنَ اللَّهِ مِنْ شَيْءٍ إِلَّا حَاجَةً فِي نَفْسِ يَعْقُوبَ قَضَاهَا وَإِنَّهُ لَذُو عِلْمٍ لِمَا عَلَّمْنَاهُ وَلَٰكِنَّ أَكْثَرَ النَّاسِ لَا يَعْلَمُونَ
অর্থঃ এবং (ইয়াকুব আলাইহিস সালাম) বললেন হে আমার প্রিয় সন্তানগণ! তোমরা সবাই (শহরে) কোন এক প্রবেশ পথে প্রবেশ করো না বরং বিভিন্ন প্রবেশদ্বার দিয়ে প্রবেশ করিও । আমি তোমাদেরকে আল্লাহর পক্ষ থেকে আসা কোন বিপদ থেকে রক্ষা করতে পারব না। কেননা প্রকৃত ক্ষমতার অধিকারী কেবল আল্লাহ। তার উপর আমার আস্থা রয়েছে। ভরসাকারীকে ভরসা করলে তার প্রতিই করতে হবে। আর যখন তারা দিয়েছিলেন অথচ আল্লাহ তায়ালার নির্ধারিত কোন কিছু থেকে কেউ রক্ষা করতে পারে না। তবুও ইয়াকুবের (আলাইহিস সালাম) অন্তরে একটি আশা ছিল যে, তিনি তা পূর্ণ করেছেন। নিশ্চয় তিনি ইলমে (নবুওয়াতের) বাহক ছিলেন। অথচ অনেক লোক তা জানে না। (সূরা ইউসুফঃ ৬৭-৬৮)

হাফেজ ইবনে কাসীর (রাহিমাহুল্লাহ) উপরোক্ত দু'টি আয়াতের ব্যাখ্যায় বলেছেন, এটা সেই সময়ের ঘটনা যখন ইয়াকুব (আলাইহিস সালাম) ইউসুফ (আলাইহিস সালাম)-এর ভাই বিনইয়ামিনকে তার অন্য ভাইদের সাথে মিশরে পাঠিয়েছিলেন। আয়াতে ইয়াকুবের (আলাইহিস সালাম) উক্ত নির্দেশনার ব্যাখ্যায় ইবনে আব্বাস (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা) মুহাম্মাদ বিন কা'ব, মুজাহিদ, যাহহাক, কাতাদা এবং সুদী (রাঃ) প্রমুখ বলেছেন যে, এমনটি তিনি বদ নজরের ভয়ে বলেছিলেন। কেননা তার সন্তানরা খুবই সুন্দর সুঠাম দেহের অধিকারী ছিলেন। তাই তাদের উপর লোকদের বদনজরের আশঙ্কা করে উক্ত নির্দেশ দেন । কেননা বদনজরের ক্রিয়া বাস্তব; কিন্তু পরে তিনি এও বলেনঃ তবে এ ব্যবস্থা আল্লাহর তাকদীরকে প্রতিহত করতে পারবে না। তিনি যা চাবেন তাই হবে----------- পরিশেষে তা তাদের জন্য বদনজর হতে প্রতিরোধক হিসেবেই আল্লাহর হুকুমে কাজ হয়েছিল------- সংক্ষিপ্ত । (তাফসীর ইবনে কাসীরঃ ২/৪৮৫)
Read More---

বই – যাদু ও তার প্রতিকার (ফ্রি ডাউনলোড)

Views:

A+ A-

 বই – যাদু ও তার প্রতিকার (ফ্রি ডাউনলোড)



বইটির সংক্ষিপ্ত পরিচয়:

নাম: ‘যাদুকর ও জ্যোতিষীর গলায় ধারালো তরবারি’
লেখক: শাইখ ওয়াহিদ বিন আব্দুস সালাম বালী
অনুবাদক: শাইখ আব্দুর রব আফফান
লিসান্স, মদীনা ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, সউদী আরব।
প্রকাশক: বাইতুস সালাম, রিয়াদ, সউদী আরব।
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ১৫২

যাদু অত্যন্ত বড় কবীরা গুনাহ যা মানুষকে শিরকের দিকে ধাবিত করে এবং ঈমান ধ্বংস করে দেয়। বর্তমান যুগে রোগ-ব্যাধি ও পাপ ব্যাপকতা যেমন লাভ করেছে তেমনি এগুলোর সাথে সাথে জাদুর ব্যাপকতা লাভ করেছে। সমাজের আনাচে কানাচে এর ব্যবহার অত্যন্ত মারাত্বকভাবে প্রসার লাভ করেছে যা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। শাইখ ওয়াহিদ বিন আব্দুস সালাম বালীর রচিত ‘যাদুকর ও জ্যোতিষীর গলায় ধারালো তরবারি’ বইটিতে বিস্তারিত ভাবে আলোচনা করা হয়েছেঃ

• যাদুর পরিচয়।
• যাদুর প্রমান।
• যাদুর প্রকারভেদ।
• যাদুকরের জ্বিন হাজির করার পদ্ধতি।
• ইসলামে যাদুর হুকুম।
• কেরামত, মু’জেযা ও যাদুর মধ্যে পার্থক্য।
• একটি সংশয় ও তার নিরাসন।
• কোন কোন পদ্ধতিতে যাদু করা হয়।
• যাদু দিয়ে মানুষের কি কি ক্ষতি করা যায়।
• যাদুর প্রতিকার বিবরণ সহ

Read More---

শুক্রবার, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৩

রমযান মাসে যদি সব শয়তান শৃঙ্খলাবদ্ধ থাকে তাহলে এ মাসে মানুষ নিয়মিতভাবে পাপ করতে থাকে কীভাবে?

Views:

A+ A-

 রমযান মাসে যদি সব শয়তান শৃঙ্খলাবদ্ধ থাকে তাহলে এ মাসে মানুষ নিয়মিতভাবে পাপ করতে থাকে কীভাবে?



রমযান মাসে যদি সব শয়তান শৃঙ্খলাবদ্ধ থাকে তাহলে এ মাসে মানুষ নিয়মিতভাবে পাপ করতে থাকে কীভাবে?

প্রশ্ন: এটি খুব সাধারণ এবং সকলের মনে উদয় হওয়া একটি প্রশ্ন তাহলোরমযান মাসে যদি সব শয়তান শৃঙ্খলাবদ্ধ থাকে তাহলে এ মাসে মানুষ নিয়মিতভাবে পাপ করতে থাকে কীভাবে?
উত্তর: ডা. জাকির নায়েক: হ্যাঁ, আমি এই সাধারণ প্রশ্নের সাথে একমত এবং এখন আমার বিভিন্ন আয়াত, হাদীস ইত্যাদির কথা মনে হচ্ছে যেখানে উল্লেখ আছে যে, রমযান মাসে শয়তানকে শৃঙ্খলাবদ্ধ করে দেওয়া হয়। সঙ্গে সঙ্গে আমাদের মনে এই প্রশ্ন উত্থিত হয়।
শুধু আমাদেরই নয়, বিভিন্ন মুসলিম এবং অমুসলিমদের ভেতরেও এই প্রশ্ন ওঠে যে যদি শয়তান শৃঙ্খলাবদ্ধ হয় তাহলে মানবজাতি এরকম পাপ কাজ চালিয়ে যেতে পারে কীভাবে? এই ধরনের প্রশ্ন উত্থাপিত হয় মূলত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর হাদীসদ্বয়ের উপর ভিত্তি করে।

মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন,
“হে মানবজাতি তোমাদের মাঝে পবিত্র রমযান মাস সমাগত এবং আল্লাহ তোমাদেরকে এই মাসে রোযা রাখতে নির্দেশ দিয়েছেন আর এই মাসে বেহেশেতের দরজাগুলো খুলে দেয়া হয় এবং দোজখের দরজাগুলো বন্ধ করে দেওয়া হয় এবং শয়তানকে শৃঙ্খলাবদ্ধ করে দেওয়া হয় আর এই মাসেই আছে কদরের রাত যেটি হাজার মাস থেকে উত্তম এবং যে ব্যক্তি এই মাসের অনুগ্রহ হতে বঞ্চিত হলো সে ব্যক্তি সত্যিকার অর্থেই বঞ্চিত, দুর্ভাগা।” (মুসনাদ-ই আহমদ, পৃষ্ঠা-২৩০, হাদীস নং ৭১৪৮ এবং সুনানে নাসাঈ, অধ্যায়-৫, রোযা-৫, রোযা, হাদীন নং ২১০৬)
তিনি এই হাদীসে অত্যন্ত পরিষ্কারভাবেই উল্লেখ করেছেন যে, পবিত্র রমযান মাসে শয়তানকে আল্লাহ তায়ালা শৃঙ্খলাবদ্ধ করে দেন। সুতরাং খুব সহজভাবেই এই প্রশ্ন উত্থিত হয় যে, শয়তান শৃঙ্খলাবদ্ধ থাকার পরেও মানবজাতি পাপ কাজে লিপ্ত থাকে কীভাবে?
Read More---

যাদু, ভাগ্য গণনা ও দৈব কর্ম

Views:

A+ A-

 যাদু, ভাগ্য গণনা ও দৈব কর্ম




এসব কিছুই শয়তানী কাজ-কর্ম এবং হারাম, যা আক্বীদায় ত্রুটি সৃষ্টি করে কিংবা আক্বীদা নষ্ট করে দেয়। কেননা শিরকী কাজ-কর্ম ছাড়া এগুলো অর্জন করা যায় না।

১. যাদু:

যাদু এমন এক বস্তুকে বলা হয় যার উপকরণ নিতান্ত গোপন ও সূক্ষ্ণ হয়ে থাকে। আর যাদুকে যাদু নামে এজন্য অভিহিত করা হয় যে, এটা এমন সব গোপনীয় কাজের মাধ্যমে অর্জিত হয় যা দৃষ্টির আগোচরে থাকে। যাদুর মধ্যে মন্ত্র পাঠ, ঝাড়ফুঁক, বাণী উচ্চারণ, ঔষধপত্র ও ধূম্রজাল- এসব কিছুর সমাহার থাকে। যাদুর প্রকৃত অস্তিত্ব রয়েছে। কোন যাদু মনের উপর আছর করে এবং কোনটা দেহের উপর। ফলে মানুষ কখনো অসুস্থ হয়ে পড়ে, কখনো নিহতও হয় এবং এর দ্বারা স্বামী-স্ত্রীর মধ্যেও বিচ্ছিন্নতা সৃষ্টি করা যায়। যাদুর এই আছর ও প্রতিক্রিয়া আল্লাহ তাআলার পার্থিব ও তাক্বদীরে নির্ধারিত হুকুম ও অনুমতি ক্রমেই হয়ে থাকে। আর এটা পুরোপুরি শয়তানী কাজ। অধিকাংশ ক্ষেত্রে যাদু -বিদ্যা আয়ত্ব করতে হলে শিরকের মাধ্যমে এবং অপবিত্র ও দুরাত্মাদের পছন্দনীয় কাজের মাধ্যমে তাদের নৈকট্য লাভের আশ্রয় নিতে হয়। এজন্যই শরীয়তে শিরকের সাথে যাদুর উল্লেখ করা হয়েছে। যেমন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন:
اجْتَنِبُوا السَّبْعَ المُوبِقَاتِ قَالُوْا وَمَاهِيَ؟ قَالَ الإشْرَاكُ بِاللهِ وَالسِّحْرِ....
'সাতটি ধ্বংসাত্মক বস্তু থেকে বেঁচে থাক, সাহাবারা জিজ্ঞাসা করলেন সে গুলো কি? তিনি বললেন: আল্লাহর সাথে শরীক করা এবং যাদু.....'[১]
Read More---

জাদুকর্ম, জ্যোতিষ ও দৈবকর্ম এবং এতদসংক্রান্ত অন্যান্য বিষয় সম্পর্কে ইসলামের বিধান

Views:

A+ A-

 জাদুকর্ম, জ্যোতিষ ও দৈবকর্ম এবং এতদসংক্রান্ত অন্যান্য বিষয় সম্পর্কে ইসলামের বিধান




অনুবাদকের কথা

জীবনের সর্বক্ষেত্রেই আল্লাহ্‌র নির্দেশ ও রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের আদর্শ অনুসরণ করে চলার মধ্যেই দুনিয়া ও আখেরাতের শান্তি ও কল্যাণ নিহিত। এ ছাড়া আর সকল মতের ও সকল পথের অনুসরণের মধ্যে লুকিয়ে রয়েছে অমঙ্গল ও অশান্তির বীজ। জাদুকর্ম, দৈবকর্ম ও জ্যেতিষকর্ম চর্চা করা - যার মাধ্যমে মানুষের অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যৎ জানতে পারার দাবি করা হয় এবং বিপদাপদ ও রোগ ব্যাধি দূর করা যায় বলে ধারণা করা হয় - এ সবই ইসলামী শরী‘আতে সুস্পষ্ট ভাবে হারাম এবং রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের আদর্শের বিরোধী। অথচ এসব কাজ চর্চার মাধ্যমে এক-শ্রেণির মানুষ জনসাধারণকে রোগের চিকিৎসা, বিপদাপদ দূর করা ও আকাঙ্ক্ষা পূরণ করে দেয়ার প্রলোভন দেখিয়ে প্রতারিত করছে। ফলে সংশ্লিষ্ট লোকজনের ঈমান, আমল ও আকীদা যেমন প্রশ্নের সম্মুখীন হয়ে পড়ছে, তেমনি এসব কর্ম-চর্চাকারীরা মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি ও প্রতারণার জাল বিস্তার করে সমাজকে অসুস্থ করে তুলছে।
এরকম পরিস্থিতিতে অত্র বিষয়ের উপর অতি সংক্ষেপে প্রাঞ্জল ভাষায় লিখা শাইখ আবদুল আযীয ইবন বায রাহেমাহুল্লাহর লিখা ছোট্ট পুস্তিকাটি আমি অনুবাদ করি। আমার বিশ্বাস যারা আল্লাহ্‌কে ভয় করে দুনিয়া ও আখিরাতের জীবনে সফলতা অর্জন করতে চায়, তারা অত্র বিষয়ের উপর পুস্তিকাটিতে প্রয়োজনীয় আদর্শ ও হেদায়াতের পথ খুঁজে পাবে। আল্লাহ গ্রন্থকার ও অনুবাদকের এ শ্রমটুকু কবুল করুন। আমীন॥

বিস্‌মিল্লাহির রাহ্‌মানির রাহিম

সমস্ত প্রশংসা একমাত্র আল্লাহরই জন্য এবং দরুদ ও সালাম সেই মহান ব্যক্তির উপর বর্ষিত হোক যার পরে আর কোন নবী নেই।
সাম্প্রতিক কালে জাদু ও দৈবকর্মের মাধ্যমে বিভিন্ন ব্যাধির চিকিৎসা করতে সক্ষম— এমন দাবিদার লোকদের সংখ্যা প্রচুর পরিমাণে বৃদ্ধি পেয়েছে। সমাজের অশিক্ষিত শ্রেণির মূর্খতা আর নির্বুদ্ধিতাকে পুঁজি করে বিভিন্ন দেশে তারা তাদের এ পেশাকে সম্প্রসারিত করে চলেছে। আমি তাই আল্লাহ্‌র দেয়া নির্দেশ পালন এবং বান্দাদের সঠিক পথে চলার উপদেশ পালনের লক্ষ্যে এতদুভয়ের মধ্যে ইসলাম ও মুসলিম জনতার উপর যে গুরুতর বিপদ রয়েছে, সে সম্পর্কে আলোকপাত করতে চাই। কেননা এ উভয় কর্মে রয়েছে আল্লাহ্‌ ব্যতীত অন্য সত্ত্বার সাথে (নির্ভরতামূলক) সম্পর্কস্থাপন এবং তাঁর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর নির্দেশ লঙ্ঘন।
Read More---